বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
নিজ এলাকা চারঘাটে জকসু নেতা জাহিদের উদ্যোগে শিশুদের কোরআন তেলাওয়াত ও ইফতার মাহফিল ইরান যুদ্ধের কারণে বাতিল হলো প্রধানমন্ত্রীর ওমরা সফর  আধিপত্য সইবে না বাংলাদেশ, ঘাড় থেকে বোঝা ফেলে দিয়েছে জাতি বিরোধিতার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে কাজের পরিবেশ তৈরির আহ্বান জবি উপাচার্যের জবিতে নতুন ভিসির ঐক্যের ডাক, রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে অভিভাবকত্বের প্রতিশ্রুতি শবে কদরের মর্যাদায় ফুলেল বরণ বর্জন করে দোয়ার আহ্বান নবনিযুক্ত জবি উপাচার্যের দেশের ৯ বিশ্ব বিদ্যালয়ে একযোগে উপাচার্য নিয়োগ জুলাই সনদ উপেক্ষা করলে আবার ছাত্র-জনতা রাজপথে নামবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হলেন ড. রইছ উদ্‌দীন সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সংসদেই জানতে চাওয়া হবে : নাহিদ ইসলাম

রাজকীয় সম্পত্তি নিয়ে আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেলেন সাইফ ও তার পরিবার

অফিস ডেক্স
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৯৭ মোট ভিউ

বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খানের জন্ম নবাব পরিবারে। পরিবারের রাজকীয় রাজকীয় সম্পত্তি নিয়ে আইনি লড়াই চলছিল দীর্ঘ সময় ধরে। দীর্ঘ ২৫ বছরের আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেলেন বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান ও তার পরিবার।

সম্প্রতি ভোপালের জেলা আদালত জমিটির মালিকানা সংক্রান্ত একটি মামলা খারিজ করে সাইফদের পক্ষে রায় দিয়েছেন। এর ফলে ১৬.৬২ একর বিতর্কিত ওই জমির মালিকানা সাইফ আলি খান, তার মা শর্মিলা ঠাকুর এবং দুই বোনের হাতেই থাকল।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ভোপালের নয়া পুরা এলাকায় অবস্থিত এই জমিটি নিয়ে ১৯৯৮ সালে আকিল আহমেদ ও তার সহযোগীরা আদালতে একটি মামলা করেন। তাদের দাবি ছিল, ১৯৩৬ সালে ভোপালের তৎকালীন নবাব হামিদুল্লাহ খান তাদের পূর্বপুরুষদের এই জমিটি দান করেছিলেন। সেই থেকে তারা এই জমির ওপর নিজেদের অধিকার দাবি করে আসছিলেন।
 

দীর্ঘ শুনানির পর আদালত পর্যবেক্ষণে জানায়, মামলাকারীরা তাদের দাবির সপক্ষে নির্ভরযোগ্য কোনো দলিল বা সরকারি রেকর্ড পেশ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। এছাড়া ঘটনার প্রায় ৬০ বছর পর এই মামলা দায়ের করাকেও অযৌক্তিক হিসেবে বিবেচনা করেছেন বিচারক। পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবেই আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন।

এই রায়ের মাধ্যমে ভোপালের প্রাক্তন রাজপরিবারের ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত এই বিশাল সম্পত্তির ওপর পাতৌদি পরিবারের উত্তরাধিকার স্বীকৃত হলো। দীর্ঘদিন আইনি জটিলতার কারণে সাইফ আলি খান ও তার পরিবার এই জমিতে কোনো কাজ করতে পারছিলেন না। আদালতের এই রায়ে তারা বড় ধরনের স্বস্তি পেলেন।
 

প্রসঙ্গত, ১৯৪৭ সালে ভোপাল ছিল একটি প্রিন্সলি স্টেট। এর শেষ নবাব ছিলেন হামিদুল্লাহ খান—যিনি সাইফ আলি খানের মাতামহ। তার তিন কন্যার মধ্যে জ্যেষ্ঠ আবিদা সুলতান ১৯৫০ সালে পাকিস্তানে চলে যান। দ্বিতীয় কন্যা সাজিদা সুলতান ভারতে থেকেই সাইফের ঠাকুর্দা ইফতিকার আলি খান পতৌদিকে বিয়ে করেন। ফলে আইন অনুযায়ী সম্পত্তির উত্তরাধিকার সাজিদা সুলতান ও তার বংশধরদের হাতেই আসে।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ ...
কপিরাইটঃ ২০২৬ দৈনিক সংবাদ শিরোনাম এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Developed by Infix Digital