বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
নিজ এলাকা চারঘাটে জকসু নেতা জাহিদের উদ্যোগে শিশুদের কোরআন তেলাওয়াত ও ইফতার মাহফিল ইরান যুদ্ধের কারণে বাতিল হলো প্রধানমন্ত্রীর ওমরা সফর  আধিপত্য সইবে না বাংলাদেশ, ঘাড় থেকে বোঝা ফেলে দিয়েছে জাতি বিরোধিতার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে কাজের পরিবেশ তৈরির আহ্বান জবি উপাচার্যের জবিতে নতুন ভিসির ঐক্যের ডাক, রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে অভিভাবকত্বের প্রতিশ্রুতি শবে কদরের মর্যাদায় ফুলেল বরণ বর্জন করে দোয়ার আহ্বান নবনিযুক্ত জবি উপাচার্যের দেশের ৯ বিশ্ব বিদ্যালয়ে একযোগে উপাচার্য নিয়োগ জুলাই সনদ উপেক্ষা করলে আবার ছাত্র-জনতা রাজপথে নামবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হলেন ড. রইছ উদ্‌দীন সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সংসদেই জানতে চাওয়া হবে : নাহিদ ইসলাম

শবে বরাত গুনাহ মাফের এক সুবর্ণ সুযোগ

অফিস ডেক্স
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৬৭ মোট ভিউ

বর্তমানে শবে বরাত সম্পর্কে দুই শ্রেণির মানুষ দেখা যায়, এক.যারা এ রাত নিয়ে প্রচন্ড বাড়াবাড়ি করে, অর্থাৎ বিভিন্ন রসম রেওয়াজ ও বিদআতি কর্মকান্ডের মাধ্যমে এ রাতকে উদ্যাপন করে। যা সম্পূর্ণ না জায়েজ। দুই.যারা প্রবল ছাড়াছাড়ি করে, অর্থাৎ তারা বলে ইসলামে শবে বরাতের কোন ভিত্তি নাই। শবে বরাতের সকল হাদিসকে জঈফ, জাল আখ্যায়িত করে, মুসলমানদেরকে বিভ্রান্ত করে চলছে। উভয় শ্রেণির বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ি থেকে বের হয়ে মধ্যমপন্থা অবলম্বন করা ও মাগফিরাতের পথ দেখানোর জন্যই আমাদের এ আয়োজন।


শবে বরাতের ফজিলত ও প্রমাণ
এক.আল্লাহ তাআলা শাবানের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতে সৃষ্টিকুলের দিকে রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও হিংসুক ব্যতিত সবাইকে ক্ষমা করে দেন। (সহিহ ইবনে হিব্বান, হা. নং ৫৬৬৫)
বর্ণিত হাদিসটি আল্লামা আলবানি রহ. ইমাম তাইমিয়া রহ. এবং মুবারকপুরি রহ. প্রমুখগনের মতেও সহিহ। দুই.আল্লাহ তাআলা অর্ধ শাবানের রাতে দুনিয়ার আকাশে আগমন করেন অত:পর কালব গোত্রের বকরির পশমের সংখ্যার চেয়েও বেশী মানুষকে ক্ষমা করেন। (সুনানে তিরমিজি- হা. নং ৭৩৯)

শবে বরাতে করণীয় কাজ সমূহ
এ রাতে বিশেষ কোন ইবাদত নেই। তবে এক. বেশী বেশী নফল নামাজ পড়া। দুই.তিলাওয়াত, জিকির আজকার করা।তিন.দোয়া,কান্না-কাটি করে ক্ষমা চাওয়া। চার.পরের দিন অর্থাৎ ১৫ শাবান রোজা রাখা।

শবে বরাতে বর্জনীয় কাজ সমূহ
শবে বরাত বিদআত নয়, তবে তাতে এমন কিছু কাজ পরিলক্ষিত হয়, যা সম্পূর্ণ বিদআত ও ভিত্তিহীন। তাই প্রত্যেককে এগুলো থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকা আবশ্যক। এক.শিণী, হালুয়া রুটি বা মিষ্টি বিতরণ করা। দুই. মসজিদ, ঘর-বাড়ি, অফিস আদালতে আলোকসজ্জা করা।
তিন.পটকাবাজী, আতশবাজী করা। চার.কবর বা মাজারে ফুল দেওয়া,আলোকসজ্জা করা। পাঁচ.দল বেঁধে কবরস্থানে যাওয়া।(জীবনে একবার শবে বরাতে কবরস্থানে গেলেই এ মুস্তাহাব আদায় হয়ে যাবে)

বিদআতের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ
কেননা হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে,আল্লাহ তাআলা বিদআতির নামাজ, রোজা, দান-সদকা, হজ উমরা, জিহাদ, ফরজ নফল কোন ইবাদতই কবুল করেন না। বিদআতিরা ইসলাম থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যায়, যেমন আটার খামিরা থেকে চুল বেরিয়ে যায়। (ইবনে মাজাহ-৪৯)

লেখক: মুফতি জুবায়ের বিন আবদুল কুদ্দুছ  সিনিয়র শিক্ষক, লালবাগ মাদ্রাসা ঢাকা
খতিব, আজিমপুর ছাপড়া মসজিদ
পরিচালক, দাওয়াতুস সুন্নাহ বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ ...
কপিরাইটঃ ২০২৬ দৈনিক সংবাদ শিরোনাম এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Developed by Infix Digital