‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি বাস্তবায়নে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের স্বার্থ সম্পূর্ণভাবে রক্ষা করে পররাষ্ট্র কর্মকাণ্ড চালাতে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রথম পরিচিতিমূলক বৈঠক করেন নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। ওই বৈঠকে এমন নির্দেশনা দেন নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, শপথ নেয়ার পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রথম অফিস করেন খলিলুর রহমান ও শামা ওবায়েদ। প্রথম দিনই মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ও তদূর্ধ্ব কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হন। এ সময় বিএনপি সরকার কীভাবে পররাষ্ট্র নীতি পরিচালনা করবে তার একটি সংক্ষিপ্ত ধারণা দেয়া হয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পক্ষ থেকে।
সূত্র জানায়, নেতৃত্ব থেকে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির কথা বলা হয়েছে। বিশেষ করে বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ড পরিচালনার নিদের্শনা দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করে সার্বভৌম সাম্যতা, পরস্পরের স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা, কারও অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করা, জাতীয় সম্মান, মর্যাদা এবং পারস্পরিক সুবিধার বিষয়গুলো আমাদের জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: তারেক রহমানকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এবং সুইস রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন
বৈঠকে সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাসনামলের পররাষ্ট্র নীতির বিশেষ দিকগুলো তুলে ধরা হয়েছে। বিদেশে মিশনগুলোতে বাংলাদেশিদের প্রতি জনবান্ধব ও সেবা দেয়ার মানসিকতা রাখতে নির্দেশনা এসেছে। এ ছাড়া কাজের স্বার্থে সব মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখতে বলা হয়েছে।
তাহলে কি ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’ এ নীতি থেকে সরে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিতে পরির্বতন আনছে? উত্তরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, এর ব্যাখ্যা নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী দিতে পারবেন।