বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
বিএনপি সরকারের এক মাস, যেসব বার্তা পাওয়া গেল নিজ এলাকা চারঘাটে জকসু নেতা জাহিদের উদ্যোগে শিশুদের কোরআন তেলাওয়াত ও ইফতার মাহফিল ইরান যুদ্ধের কারণে বাতিল হলো প্রধানমন্ত্রীর ওমরা সফর  আধিপত্য সইবে না বাংলাদেশ, ঘাড় থেকে বোঝা ফেলে দিয়েছে জাতি বিরোধিতার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে কাজের পরিবেশ তৈরির আহ্বান জবি উপাচার্যের জবিতে নতুন ভিসির ঐক্যের ডাক, রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে অভিভাবকত্বের প্রতিশ্রুতি শবে কদরের মর্যাদায় ফুলেল বরণ বর্জন করে দোয়ার আহ্বান নবনিযুক্ত জবি উপাচার্যের দেশের ৯ বিশ্ব বিদ্যালয়ে একযোগে উপাচার্য নিয়োগ জুলাই সনদ উপেক্ষা করলে আবার ছাত্র-জনতা রাজপথে নামবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হলেন ড. রইছ উদ্‌দীন

ট্রাম্পের সব রণকৌশল ব্যর্থ হওয়ার পেছনে যে ৭ কারণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬
  • ১৬ মোট ভিউ

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ দুই সপ্তাহে গড়ালেও জয় পাননি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনকি এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট বিজয় দাবি করার মতো পরিস্থিতিও তৈরি হয়নি। বরং হরমুজ প্রণালি সংকট, অর্থনৈতিক চাপ, সামরিক ঝুঁকি এবং রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। বিশ্লেষকদের মতে, সামরিকভাবে কিছু সাফল্য পেলেও এখনও পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্টভাবে বিজয় দাবি করার মতো অবস্থায় নেই। বরং যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সামরিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নানা জটিলতা বাড়ছে।

প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন বলছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ নিয়ে এখন এক জটিল মোড়ে দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি স্পষ্টভাবে বিজয় ঘোষণা করতে পারছেন না; যুদ্ধ ধীরে ধীরে তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে বিস্তৃত হচ্ছে; আবার যুদ্ধ থেকে সরে গেলে তার কৌশলগত ও অর্থনৈতিক পরিণতিও ভয়াবহ হতে পারে।

অবশ্য তিনি এখনও সেই কঠিন পরিস্থিতিতে পড়েননি যেভাবে সাবেক প্রেসিডেন্ট লিন্ডন জনসন বা জর্জ ডব্লিউ বুশ এমন যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করেছিলেন। কারণ সেসব যুদ্ধ কার্যত আগেই হারানো হয়ে গিয়েছিল। তবে বিপদের লক্ষণ এখন চারদিকে দেখা যাচ্ছে।

এই প্রায় দুই সপ্তাহের যুদ্ধের একটি ঘটনা বিশেষভাবে দেখিয়ে দিয়েছে যে সংঘাতের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্পের ক্ষমতা কমছে— ইরানের হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়া। বিশ্বের তেল রপ্তানির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই পথ বন্ধ করে দিয়ে ইরান দেখিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল সামরিক শক্তি থাকলেও সব সমস্যার সমাধান সহিংসতার মাধ্যমে করা যায় না।

হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়া ট্রাম্পের সামনে একটি বড় সামরিক সংকট তৈরি করেছে। ইরান সামরিকভাবে দুর্বল হলেও প্রণালিটি খুলে দেয়ার চেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

অনেক বিশ্লেষকের মতে, ট্রাম্প যে সিদ্ধান্ত নিয়ে যুদ্ধ শুরু করেছিলেন তা মূলত একটি ‘অনুভূতির’ ভিত্তিতে নেয়া হয়েছিল, আর এটিই পর্যাপ্ত পরিকল্পনার অভাবের ইঙ্গিত দেয়। কারণ যুক্তরাষ্ট্র বহু দশক ধরেই জানত, হামলা হলে ইরান কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।

অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন লরেন্স ব্রেনান সিএনএনকে বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে না পারলে কোনও বিজয় সম্ভব নয়। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য প্রণালিটি খুলে দিতে হবে, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে তা করা অত্যন্ত কঠিন, প্রায় অসম্ভব।’

১৯৭৯-৮১ সালের ইরান জিম্মি সংকটের সময় ইউএসএস নিমিৎজ বিমানবাহী জাহাজে কর্মরত ছিলেন ব্রেনান। তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্টের আশাবাদ আমি বুঝি। কিন্তু যুদ্ধের প্রথম বা দ্বিতীয় দিনেই বিজয় ঘোষণা করা সঠিক নয়। এই সংঘাত আমাদের আশার চেয়ে অনেক বেশি দীর্ঘ হতে পারে।’

এই যুদ্ধের প্রভাব শুধু তেলের দামে সীমাবদ্ধ নয়। বৃহস্পতিবার ইরাকের আকাশে একটি মার্কিন ট্যাঙ্কার বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনাও দেখিয়ে দিয়েছে বৃহৎ সামরিক সমাবেশের ঝুঁকি কতটা বড়। এর আগে এই সংঘাতে সাতজন মার্কিন নাগরিকও নিহত হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও এর প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার ভার্জিনিয়া ও মিশিগান অঙ্গরাজ্যে সহিংস ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। আর এটি দূরবর্তী যুদ্ধের সম্ভাব্য অভ্যন্তরীণ প্রতিক্রিয়ার ইঙ্গিত দেয়। যদিও এসব ঘটনার সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সরাসরি সম্পর্ক এখনও নিশ্চিত নয়, তবে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে ভার্জিনিয়ার গুলির ঘটনাকে সন্ত্রাসবাদ-সম্পর্কিত হিসেবে তদন্ত করছে কর্তৃপক্ষ।

এদিকে এফবিআই জানিয়েছে, মিশিগানের একটি সিনাগগে গাড়ি তুলে দেয়ার ঘটনাকে ইহুদি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে লক্ষ্য করে করা সহিংসতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। আর এই পরিস্থিতি হোয়াইট হাউসের সেই আশ্বাসকেও দুর্বল করে দিচ্ছে যে এই যুদ্ধ আমেরিকানদের আরও নিরাপদ করেছে।

ট্রাম্প অবশ্য ভিন্ন কথা বলছেন। গত বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, ‘ইরান পরিস্থিতি খুব দ্রুত এগোচ্ছে। সবকিছু ভালো চলছে। আমাদের সামরিক শক্তি অতুলনীয়’।

তবে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’–কে এখনই ব্যর্থ বলা হয়তো তাড়াহুড়ো হবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলা সামরিক দিক থেকে কার্যকর হয়েছে, এতে ইরানের সীমান্তের বাইরে হামলা চালানোর সক্ষমতা কমে যেতে পারে।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎপাদনের ক্ষমতাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর ওপর ইরানের হামলার গতি কিছুটা কমেছে।

যুদ্ধের প্রাণহানি অবশ্যই দুঃখজনক। তবে এখনও পর্যন্ত মার্কিন বাহিনীর ক্ষয়ক্ষতি ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের সময়ের তুলনায় অনেক কম। যুদ্ধ চলাকালে পরিস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে মূল্যায়ন করা সব সময়ই কঠিন।

এদিকে নতুন ইরানি সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হওয়ায় অনেকের আশা ছিল সরকার পতন ঘটবে, কিন্তু আপাতত ভেস্তে গেছে। যদিও নতুন নেতা এখনও প্রকাশ্যে আসেননি, তবুও এটি স্থায়ী শাসনের নিশ্চয়তা দেয় না।

কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনস–এর জ্যেষ্ঠ গবেষক রে তাকেয়েহ বলেন, ‘আজ আপনি যে মূল্যায়ন করছেন, তা হয়তো এপ্রিল বা নভেম্বরের মধ্যে আর সত্য নাও থাকতে পারে’। তার মতে, এই সংঘাত অত্যন্ত গতিশীল এবং পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে পারে।

ট্রাম্পের সামনে বাড়ছে রাজনৈতিক ও সামরিক চ্যালেঞ্জ। ট্রাম্প বরাবরই বড় বড় বক্তব্য দিতে পছন্দ করেন। কেন্টাকিতে এক সমাবেশে তিনি বলেন, ‘আমি বলছি, আমরা জিতেছি। প্রথম ঘণ্টাতেই যুদ্ধ শেষ হয়ে গিয়েছিল।’

কিন্তু ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্র এখনও এই যুদ্ধ জেতেনি।

হরমুজ প্রণালি সংকট

ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহন হয়। উপসাগরে ট্যাঙ্কারে হামলার ফলে তেলের দাম দ্রুত বাড়ছে। মার্কিন নৌবাহিনীও ঝুঁকির কারণে ওই প্রণালিতে প্রবেশে সতর্ক রয়েছে।

জাহাজের বীমা খরচও আকাশছোঁয়া হয়ে গেছে। সামরিকভাবে দ্রুত প্রণালি খুলে দেয়ার সহজ কোনও উপায় নেই। আর যদি খুলেও দেয়া যায়, তবুও সেখানে স্থায়ী সামরিক পাহারা দিতে হবে। আর এটি যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা নৌবাহিনীর জন্য কঠিন হতে পারে।

অনেক বিশ্লেষকের মতে, এর সমাধান সামরিক নয়, রাজনৈতিক। কিন্তু ট্রাম্প নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ চাইছেন, আর তেহরান তা প্রত্যাখ্যান করছে।

সর্বোচ্চ নেতার প্রশ্ন

যুদ্ধের শুরুতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর অনেকেই এটিকে শাসন পরিবর্তনের প্রচেষ্টা হিসেবে দেখেছিলেন। কিন্তু তার ছেলে মোজতবা খামেনি নতুন নেতা হওয়ায় সেই লক্ষ্য পূরণ হয়নি।

সাবেক বর্ষীয়ান মেরিন কর্পস ডেমোক্র্যাটিক প্রতিনিধি জ্যাক অচিনক্লস চলতি সপ্তাহে সিএনএন-এর ক্যাসি হান্টকে বলেছেন, নতুন সর্বোচ্চ নেতা ‘তার বাবার চেয়েও বেশি কঠোর, এমনকি আরও কট্টরপন্থি।’

ইসরায়েল কি যুদ্ধ থামাবে?

যদি ট্রাম্প রাজনৈতিক কারণে যুদ্ধ শেষ করতে চান, তবুও নিশ্চিত নয় যে ইসরায়েল রাজি হবে কি না। কারণ ইসরায়েল প্রায়ই দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধকে নিরাপত্তার অংশ হিসেবে দেখে।

গত সপ্তাহে ট্রাম্প বলেন, যুদ্ধ কখন শেষ হবে তা তার এবং প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে ‘পারস্পরিক সিদ্ধান্তের’ মাধ্যমে ঠিক হবে। আর এই মন্তব্য মার্কিন সেনাপ্রধানের সামরিক সিদ্ধান্তের ওপর বিদেশি রাষ্ট্রের অযৌক্তিক প্রভাব থাকার উদ্বেগকে পুনরুজ্জীবিত করেছে।

গাজা, লেবানন, ইরান এবং সিরিয়ার মতো জায়গায় ইসরায়েলের ঘন ঘন যুদ্ধ এবং সামরিক পদক্ষেপ প্রমাণ করে যে তারা আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে একটি ধারাবাহিক মিশন হিসেবে দেখে।

যুদ্ধের লক্ষ্য নিয়ে বিভ্রান্তি

যুদ্ধের উদ্দেশ্য নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের বক্তব্যে অনেক অস্পষ্টতা রয়েছে। আর এটিই মূলত বিজয়ের পক্ষে বয়ান তৈরি করা কঠিন করে তুলছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের ঘটনাবলী যখন ট্রাম্পের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে, তখন এটি আরও বেশি স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

পারমাণবিক প্রশ্ন

ট্রাম্প দাবি করছেন তিনি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করে দিয়েছেন। কিন্তু যদি ইরানের কাছে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত থেকে যায়, তবে ভবিষ্যতে তারা আবার সেই কর্মসূচি শুরু করতে পারে।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ইসফাহানের একটি স্থাপনায় এখনও প্রায় ২০০ কেজি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম থাকতে পারে।

এছাড়া ট্রাম্প তেজস্ক্রিয় পদার্থ অপসারণের জন্য একটি বিশেষ বাহিনীর অভিযানের নির্দেশ দিতে পারেন বলে জল্পনা চলছে। কিন্তু এর জন্য বিশাল স্থলবাহিনী এবং চরম ঝুঁকিপূর্ণ একটি মিশনের প্রয়োজন হবে। জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থার বিশ্বাস, ইসফাহান পারমাণবিক কেন্দ্রে এখনও প্রায় ২০০ কিলোগ্রাম উচ্চ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে। এই মজুদগুলো নির্মূল না করলে, ওয়াশিংটন কখনোই ইরানের পারমাণবিক আকাঙ্ক্ষা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারে না।

ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি

ট্রাম্প ইরানিদের বিদ্রোহ করতে উৎসাহিত করেছিলেন। কিন্তু এখনও তেমন কোনও গণঅভ্যুত্থানের লক্ষণ দেখা যায়নি। বরং অনেক বিশ্লেষক মনে করেন, বোমাবর্ষণ শেষ হলে সরকার আরও কঠোর দমননীতি নিতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক বাস্তবতা

যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বাড়লে তার প্রভাব পড়বে মার্কিন জনগণের ওপর। সাধারণ মানুষ যখন জ্বালানির দাম বাড়ার চাপ অনুভব করবে, তখন তারা ট্রাম্পের বিজয় উদযাপনের অংশীদার নাও হতে পারে।

ইতিহাস বলছে, যুদ্ধের সমাপ্তি খুব কম ক্ষেত্রেই পরিষ্কার বিজয়ে শেষ হয়, যেমনটি হয়েছিল ১৯৪৫ সালে নাৎসি জার্মানি ও সাম্রাজ্যবাদী জাপানের বিরুদ্ধে। অনেকের মতে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র যত যুদ্ধ জিতেছে তার চেয়ে বেশি পরাজয়ের মুখ দেখেছে।

তাই ট্রাম্প এখন একটি ‘পছন্দের যুদ্ধের’ স্বাভাবিক পরিণতির মুখোমুখি হয়েছেন। আর এই পরিস্থিতিতে তার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এখন সামরিক শক্তির প্রাথমিক সুবিধা শেষ হয়ে যাওয়ার আগেই কীভাবে একটি বিজয়ের গল্প তৈরি করা যায়।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ ...
কপিরাইটঃ ২০২৬ দৈনিক সংবাদ শিরোনাম এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Developed by Infix Digital