তিনি বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে নতুন পে-স্কেল ঘোষণার কোনো সম্ভাবনা নেই। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে না এবং সেটাই যুক্তিযুক্ত। বর্তমান সরকার হয়তো একটি কাঠামো তৈরি করে দিয়ে যেতে পারে। তবে এর বাস্তবায়ন সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করবে পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের ওপর।
এ সময় ক্যাশলেস লেনদেন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ডিজিটাল লেনদেন বাড়লে ছেড়া-ফাটা নোটের সমস্যা অনেকটাই কমে আসবে। নতুন ট্রেড লাইসেন্স ইস্যুর ক্ষেত্রে কিউআর কোড বাধ্যতামূলক করা হলে ক্যাশলেস লেনদেন আরও বাড়বে।
দেশের আমদানিনীতিকে জটিল উল্লেখ করে গভর্নর আরও বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের অদক্ষতার কারণে সময়মতো পণ্য আমদানি না হওয়ায় বাজারে পণ্যের দাম বেড়ে যায়।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয় ষাণ্মাসিকের মুদ্রানীতি প্রণয়নের লক্ষ্যে বরিশাল অঞ্চলের অংশীজনদের মতামত সংগ্রহের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
One thought on "নতুন পে-স্কেল নিয়ে যে তথ্য দিলেন গভর্নর"
Comments are closed.