ঢাকা-৪ আসনের (শ্যামপুর-কদমতলী) বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন বলেছেন এই বাংলাদেশ ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ। জন্মগতভাবে এই দেশ আমাদের সবার অধিকার নিশ্চিত করেছে।এই বাংলাদেশ সম্প্রীতির বাংলাদেশ। আমাদের সবার স্বাধীনভাবে চলাফেরা এবং নিজের ধর্ম পালনের স্বাধীনতা রয়েছে।
তিনি বলেন, শৈশবে আমাকে অনেক মানুষ কোলে কাঁধে নিয়ে বড় করেছেন। যাদের মধ্যে অনেক হিন্দু ধর্মাবলম্বী রয়েছে।তারা আমাকে কোলে তুলে হাঁঠতে শিখিয়েছেন, আমাকে আশীর্বাদ করেছেন।আমি তাদের মাঝেই বড় হয়েছি।তাদের সাথে আমার আত্মার একটা সম্পর্ক রয়েছে। এখনো সেই সম্পর্ক বহল রয়েছে এবং আগামীতেও থাকবে।
৩১শে জানুয়ারি (শনিবার) রাতে থেকে রাজধানীর নির্বাচনী আসন-৪ এর শ্যামপুর থানাধীন ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডে জাতীয় মহাশ্মশান কমিটি আয়োজিত শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম সংকীর্তন মহানামযজ্ঞানুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
ফ্যাসিবাদী সরকারের শাসনামলে বিভিন্নভাবে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ব্যবহার করেছে মন্তব্য করে রবিন বলেন, আমাদের ভাই-বোনদেরকে তাদের সমর্থন না থাকা সত্ত্বেও তাদেরকে আওয়ামী লীগ ট্যাগ দিয়ে তাদেরকে ব্যবহার করেছে। ধর্মীয়ভাবে আলাদা করার জন্য ফ্যাসিবাদী সরকার এই পদ অবলম্বন করেছিল।
আগামীতে সকলের সাথে মিলেমিশে পথ চলার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, আমি আপনাদের সাথে মিলেমিশে কাজ করে আপনাদের আস্থা অর্জন করতে চাই। আমি শুধু কথার কথা বলতে চাই না। কাজ করে দেখাতে চাই। আমি খুব অল্প সময় আপনাদের সাথে চলার সুযোগ পেয়েছি। যখনই আপনারা আমাকে ডেকেছেন আমি ছুটে এসেছি। আমাকে আপনারা পাশে পেয়েছেন। আগামীতেও আপনাদের পাশে থেকে আপনাদের দাবিগুলো তুলে ধরব এবং বিএনপি সরকার গঠন করলে সকল সুযোগ সুবিধা আপনাদের প্রদান করব। দাবি আদায় করার জন্য এলাকার একজন সন্তান হিসেবে আপনাদের ভাই হিসেবে কাজ করব।
বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার শুধুমাত্র হিন্দুদেরই ঠকাইনি বরং সকলকে তাদের সুবিধা থেকে বঞ্চিত করেছে উল্লেখ করে রবিন বলেন, দাহ করার জন্য আপনাদের লাকড়ি শুধু নয় মুসলমানদের দাফন করার জন্য একটা নির্দিষ্ট ফি তাদেরকে জমা দিতে হতো যেটা একটি সাধারণ মানুষের জন্য জুলুম।সর্বক্ষেত্রে সকল ধর্মের মানুষকে এই ফ্যাচিবাদের দোসরা ঠকিয়েছে।বিভিন্নভাবে মানুষের সম্পদ লুটপাট করে নিয়ে গেছে।
আগামীতে কোন ফ্যাসিবাদের ঠাই বাংলার মাটিতে হবে না উল্লেখ করে বলেন, আমি আপনাদের ভাই আমি কথা দিচ্ছি আগামীতে যখনই আমাকে ডাকবেন তখনই আমাকে কাছে পাবেন। বিগত দিনে হয়তো আমি তেমন আপনাদের কাছে আসার সুযোগ পায়নি কিংবা আপনার আমার কাছে যাওয়ার সুযোগ পাননি। আগামীতে এমন কোন অপশক্তি থাকবে না এখানে বাধা সৃষ্টি করবে। আমাকে আশীর্বাদ করবেন।আমি সুযোগ পেলে আমার দায়িত্বে জায়গা থেকে শতভাগ দায়িত্ব পালন করব। আপনারা আমার কথায় কাজে মিল আছে কিনা তা পর্যালোচনা করবেন।
ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়ে নারীরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে : রবিন
2 thoughts on "এই সম্প্রীতির বাংলাদেশ জন্মগতভাবে আমাদের সকল অধিকার নিশ্চিত করেছে : রবিন"
Comments are closed.