বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৭:০৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
জবি শিক্ষককে হেনস্তা ও কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগ ছাত্রদল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে যমুনায় ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী সরকারের এক মাসের সাফল্য: সীমান্তে মৃত্যুহীন ৩০ দিন বিএনপি সরকারের এক মাস, যেসব বার্তা পাওয়া গেল নিজ এলাকা চারঘাটে জকসু নেতা জাহিদের উদ্যোগে শিশুদের কোরআন তেলাওয়াত ও ইফতার মাহফিল ইরান যুদ্ধের কারণে বাতিল হলো প্রধানমন্ত্রীর ওমরা সফর  আধিপত্য সইবে না বাংলাদেশ, ঘাড় থেকে বোঝা ফেলে দিয়েছে জাতি বিরোধিতার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে কাজের পরিবেশ তৈরির আহ্বান জবি উপাচার্যের জবিতে নতুন ভিসির ঐক্যের ডাক, রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে অভিভাবকত্বের প্রতিশ্রুতি শবে কদরের মর্যাদায় ফুলেল বরণ বর্জন করে দোয়ার আহ্বান নবনিযুক্ত জবি উপাচার্যের

নবীজির রমজানের ৫ প্রস্তুতি

অফিস ডেক্স
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৭৩ মোট ভিউ

রমজান ইবাদতের বসন্তকাল। আর কোনো কাজই পরিকল্পনা ছাড়া সুচারুভাবে সম্পন্ন হয় না। তাই প্রতিটি ইবাদতের জন্য পূর্বপ্রস্তুতি অত্যন্ত জরুরি। রসুলুল্লাহ (স.) নামাজ ও হজের মতো পবিত্র রমজানের জন্যও বিশেষ প্রস্তুতি নিতেন এবং উম্মতকে রমজানের ইবাদতের জন্য আগাম প্রস্তুত হতে বলতেন।

 

আসুন, নবীজির (স.) জীবন ও কর্মপন্থা অনুযায়ী রমজানের প্রস্তুতিমূলক কিছু করণীয় জেনে নিই–

 

রমজান প্রাপ্তির জন্য দোয়া করা

 

রসুলুল্লাহ (স.) আমলের তাওফিকের জন্য দোয়া করতেন। হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, যখন রজব মাস আসত, রসুলুল্লাহ (স.) বলতেন,

 

“হে আল্লাহ, রজব ও শাবান মাস আমাদের জন্য বরকতময় করুন এবং আমাদের রমজান পর্যন্ত পৌঁছে দিন। (বায়হাকি ৩৫৩৪)”

 

পূর্বসূরী অনেক আলেমও রমজান প্রাপ্তির জন্য দোয়া করতেন। ইবনে রজব হাম্বলি (রহ.) বলেন, ‘মুয়াল্লা ইবনে ফজল বলেছেন, তারা ছয় মাস রমজান পাওয়ার জন্য দোয়া করতেন এবং ছয় মাস আমলগুলো কবুল হওয়ার জন্য দোয়া করতেন।’

 

আরও পড়ুন: ইরানে সহিংস বিক্ষোভের পেছনে কলকাঠি নেড়েছে কোন দু’জন, জানাল বিপ্লবী গার্ড বাহিনী

 

রমজানের জন্য দিনক্ষণ গণনা করা

 

শাবান মাসের তারিখ হিসাব রাখা রমজানের পূর্বপ্রস্তুতির একটি সুন্নত। রাসুল (সা.) শাবানের দিন তারিখ সম্পর্কে বিশেষভাবে সচেতন থাকতেন। হজরত আয়েশা (রা.) বলেন,

 

“আল্লাহর রসুল শাবান মাসের তারিখের প্রতি এত লক্ষ রাখতেন যা অন্য মাসে করতেন না। (আবু দাউদ ২৩২৫)”

 

রমজানের আগের মাসে অধিক পরিমাণে রোজা রাখা

 

শাবান মাসে অধিক রোজা রাখা নবিজির একটি বিশেষ আমল ছিল। হজরত ওসামা ইবনে জায়েদ (রা.) বলেন,

 

“রসুলুল্লাহ (স.) শাবান মাসে অধিক রোজা রাখতেন। আমি জিজ্ঞাসা করলাম কেন? তিনি বললেন, এটি এমন একটি মাস যে মাসে আমল আল্লাহর কাছে পেশ করা হয়। আমি চাই আমার আমল রোজা অবস্থায় পেশ করা হোক। (নাসায়ি ২৩৫৭)”

 

জনসাধারণকে রমজানের প্রতি উৎসাহী করা

 

রসুলুল্লাহ (স.) সাহাবিদের রমজানের ফজিলত সম্পর্কে অবগত করাতেন এবং তাদের ইবাদতে উৎসাহ দিতেন। তিনি বলতেন,

 

“রমজান বরকতময় মাস, তোমাদের দুয়ারে উপস্থিত হয়েছে। এ মাসে এমন একটি রাত রয়েছে যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। (নাসায়ি ২১০৬)”

 

আরও পড়ুন: বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ভিসা কেন স্থগিত করছে যুক্তরাষ্ট্র?

 

রমজানের বিধান জানা ও আগমনে আনন্দ প্রকাশ করা

 

রমজানের যাবতীয় বিধি-বিধান সম্পর্কে জানা প্রত্যেক মুসলিমের দায়িত্ব। রসুলুল্লাহ (স.) নিজেও সাহাবিদের এ বিষয়ে সচেতন করতেন। একইভাবে আলেমদের উচিত রমজানের বিধান নিয়ে মানুষের মাঝে প্রচার করা।

 

রমজানের আগমনে আনন্দ প্রকাশ করা মুমিনের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। আল্লাহ তাআলা বলেন,

 

“বলুন, এটা আল্লাহর অনুগ্রহ ও তার দয়ায়। তাই তারা আনন্দিত হোক। (সুরা ইউনুস ৫৮)”

 

রসুলুল্লাহ (স.) নিজেও রমজানের আগমনে আনন্দ প্রকাশ করতেন এবং সাহাবিদের জানাতেন, ‘তোমাদের দুয়ারে রমজান এসেছে।’ (নাসায়ি ২১০৬)

 

আমরা যদি রসুলের (স.) সুন্নত অনুসারে রমজানের প্রস্তুতি নিই, তাহলে আমাদের রমজান যথার্থভাবে পালন করা হবে।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ ...
কপিরাইটঃ ২০২৬ দৈনিক সংবাদ শিরোনাম এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Developed by Infix Digital