বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের উদ্যোগে ফল উৎসব-২০২৬ অনুষ্ঠিত জুলাই ডকুমেন্টারিতে ছবি না থাকায় ক্ষোভ, উত্তেজনার মধ্যে অনুষ্ঠান বয়কট ছাত্রদলের একাংশের নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো গবেষণা প্রকল্প ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সেমিনার জামায়াতের উত্থান দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি: নুর মোজাফফরের বিচার হবে কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের বাজারে যে দামে বিক্রি হচ্ছে প্রতি ভরি স্বর্ণ বাংলাদেশে দুই বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব ৪০০ ড্রোন দিয়ে রাশিয়ায় হামলা ইউক্রেনের এক বছর মেয়াদি মাল্টিপল-এন্ট্রি ওমরাহ ভিসা চালু করল সৌদি আরব সারাদেশে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ সম্প্রসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

পঞ্চগড়ে ঈদুল আযহা ঘিরে কামার পাড়ায় বেড়েছে ব্যস্ততা

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
  • ৫৪ মোট ভিউ

 

 

 

 

পবিত্র ঈদুল আযহার আর মাত্র তিন দিন বাকি। কোরবানিকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন পঞ্চগড় সদর উপজেলার কামাররা। পঞ্চগড় বাজারের কামারপাড়ায় সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে লোহা পেটানোর টুংটাং শব্দ। দা, বঁটি, ছুরি, চাপাতি ও কোরবানিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম তৈরিতে এখন দম ফেলার ফুরসত নেই তাদের।

স্থানীয়রা জানান, অর্ধশত বছর ধরে পঞ্চগড় বাজারের কামারপাড়ায় চলে আসছে এ কর্মযজ্ঞ। প্রতি বছর কোরবানির ঈদ ঘিরে বাড়ে কাজের চাপ। এবারও ভোর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত টানা কাজ করে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করছেন কামাররা।

কামারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কোরবানির মৌসুমে কাজের চাপ বাড়লেও কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধির কারণে আগের মতো লাভ হচ্ছে না। তারপরও বাপ-দাদার পেশা ধরে রাখতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তারা।

 

পঞ্চগড় বাজারের কামার মজিবর বলেন, “সারা বছরই আমাদের কাজ চলে। তবে ঈদ আসলে ব্যস্ততা অনেক বেড়ে যায়। দিন-রাত পরিশ্রম করে কাস্টমারদের জিনিসপত্র তৈরি করছি।”

প্রায় ৫০ বছর ধরে এ পেশার সঙ্গে জড়িত মজিবর রহমান বলেন, “এটা আমাদের বাপ-দাদার পেশা। চাইলেও এ পেশা ছাড়তে পারছি না। কিন্তু এখনকার ছেলেরা এসব কষ্টের কাজ করতে চায় না। তাই ভবিষ্যতে এ শিল্প টিকে থাকবে কি না, তা নিয়ে চিন্তায় আছি।”

 

কোরবানির জন্য ছুরি-চাপাতি কিনতে আসা আনিছুর রহমান মানিক বলেন, “বর্তমানে সবকিছুর দাম বেড়েছে। তাই লোহার জিনিসপত্রের দামও বেশি। তারপরও কোরবানির কাজে লাগবে বলে কিনতে হচ্ছে।”

 

স্থানীয়দের মতে, আধুনিকতার ছোঁয়ায় অনেক ঐতিহ্যবাহী পেশা হারিয়ে গেলেও এখনো টিকে আছে কামার শিল্প। তবে নতুন প্রজন্মের অনাগ্রহ ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির কারণে এ শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ ...
কপিরাইটঃ ২০২৬ দৈনিক সংবাদ শিরোনাম এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Developed by Infix Digital