‘তামাক পণ্য বর্জন করি, তামাক মুক্ত ক্যাম্পাস গড়ি’ স্লোগানকে সামনে রেখে ধূমপান ও তামাক বিরোধী আলোচনা সভা করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এন্টি টোব্যাকো ক্লাব।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন ) তিনটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটরিয়ামে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জানা যায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এন্টি টোব্যাকো ক্লাব বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ধূমপান ও তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি, তামাকবিরোধী প্রচারণা পরিচালনা, তামাকমুক্ত ক্যাম্পাস গঠনে কাজ করা এবং শিক্ষার্থীদের জনস্বাস্থ্য ও সুস্থ জীবনধারা সম্পর্কে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে।
এন্টি টোব্যাকো ক্লাবের উপদেষ্টা ও আজকের অনুষ্ঠামের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমরা অনেক সেমিনার করেছি, আমরা অনেক র্যালি করেছি এখানে যারা উপস্থিত রয়েছে। ইভেন আলোচনা সভাও করেছি। সেখানে আমরা অনেক আলোচনায় এগুলো করেছি।”
বিটিটিএলএমএ এর সভাপতি এম. সাহাদত হোসেন সোহেল বলেন, “তরুণদের সুস্থ-সুশৃঙ্খল জীবন গঠনে সামাজিক সচেতনতার গুরুত্ব উল্লেখ করার পাশাপাশি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চমৎকার অবকাঠামো ও মেধার প্রশংসা করেন এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এটিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি শীর্ষ সারির প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা সম্ভব বলে নীতি-নির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণের আশ্বাস দেন।”
বিশেষ অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, “কেউ যদি তামাকের সাথে ইনভলভ হও, সেখান থেকে নিজেকে আগে বিরত করো। এবং আমাদের সামনে কেউ যদি এটার সাথে ইনভলভ হয়, সেই ক্ষেত্রে আমাদের রোলটা কী হবে, সেটাও আমাদের ডিটারমাইন করতে হবে।”
এন্টি টোব্যাকো ক্লাবের সদস্য রেহনুমা আলীর সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, বিটিটিএলএমএ এর সভাপতি এম. সাহাদত হোসেন সোহেল, এন্টি টোব্যাকো ক্লাবের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো রফিকুল ইসলাম সহ এন্টি টোব্যাকো ক্লাবের সকল সদস্যসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
উল্লেখ্য, কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম তামাক বিরোধী সংগঠন হিসেবে ২০২২ সালে এর আত্মপ্রকাশ ঘটে। ক্লাবটি তামাকবিরোধী প্রচারণা, সচেতনতা কার্যক্রম ও গবেষণাধর্মী কাজের মাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ইতিমধ্যেই পরিচিতি অর্জন করেছে।###