চারিদিকে বর্ষায় থই থই পানি। টানা বর্ষণে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার গ্রাম-গঞ্জের বসতবাড়ির আশেপাশে, পুকুর, ডোবা, খাল-বিল ও নিচু জমি এখন পানিতে টইটম্বুর।
প্রকৃতির এই আনন্দের মৌসুমেই প্রতি বছর আতঙ্ক হয়ে দেখা দেয় শিশুদের পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ১ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুরা পানির প্রতি অত্যন্ত কৌতূহলী হয়। অভিভাবকের এক মুহূর্তের অসাবধানতাই ঘটাতে পারে অপূরণীয় ক্ষতি।
অভিভাবকদের জন্য জরুরি ৪ টি সতর্কতা:
১. চোখে চোখে রাখুন: পুকুর,ডোবা বা যেকোনো জলাশয়ের আশেপাশে শিশুকে কখনোই একা ছাড়বেন না। গোসলের সময়ও সর্বক্ষণ পাশে থাকুন।
২. ঘর সুরক্ষিত করুন: বাড়ির উঠান বা আশেপাশে বালতি, ড্রাম, গামলায় জমে থাকা পানি সাথে সাথে ফেলে দিন। মাত্র ৫ ইঞ্চি পানিতেও শিশু ডুবে যেতে পারে।
৩. সাঁতার শেখান:
শিশুর বয়স উপযোগী হলে নিরাপদ ও প্রশিক্ষিত পরিবেশে তাকে সাঁতার শেখান।
৪. সচেতন করুন: শিশুদের পানির ধারে খেলতে কঠোরভাবে নিষেধ করুন এবং পানির বিপদ সম্পর্কে তাদের বোঝান।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, বাংলাদেশে ৫ বছরের কম বয়সী শিশু মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ পানিতে ডুবে যাওয়া। তাই এই বর্ষায় আপনার সন্তানের প্রতি একটু বাড়তি খেয়ালই পারে একটি নিষ্পাপ প্রাণ বাঁচাতে। সচেতন হোন, সন্তানকে নিরাপদ রাখুন।