বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৬:০০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের উদ্যোগে ফল উৎসব-২০২৬ অনুষ্ঠিত জুলাই ডকুমেন্টারিতে ছবি না থাকায় ক্ষোভ, উত্তেজনার মধ্যে অনুষ্ঠান বয়কট ছাত্রদলের একাংশের নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো গবেষণা প্রকল্প ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সেমিনার জামায়াতের উত্থান দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি: নুর মোজাফফরের বিচার হবে কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের বাজারে যে দামে বিক্রি হচ্ছে প্রতি ভরি স্বর্ণ বাংলাদেশে দুই বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব ৪০০ ড্রোন দিয়ে রাশিয়ায় হামলা ইউক্রেনের এক বছর মেয়াদি মাল্টিপল-এন্ট্রি ওমরাহ ভিসা চালু করল সৌদি আরব সারাদেশে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ সম্প্রসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সিংড়া উপজেলায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন, শতবর্ষী একান্নাবিঘা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১২ শিক্ষার্থীর সাফল্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬
  • ১৫ মোট ভিউ

নাটোরের সিংড়া উপজেলার বিলদহর গ্রামে অবস্থিত শতবর্ষী একান্নাবিঘা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১২ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ এ কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে।

 

প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, এদের মধ্যে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে ৭ জন। এর মধ্যে ছেলে ৪ জন এবং মেয়ে ৩ জন। আর সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে ৫ জন। এর মধ্যে ছেলে ২ জন ও মেয়ে ৩ জন।

 

চামারী ইউনিয়নে অবস্থিত বিদ্যালয়টি এলাকাবাসীর গর্ব। ১৯২৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়টি ১০ বছর পার করেছে। দীর্ঘদিন ধরেই বিদ্যালয়টির সুনাম রয়েছে। ১৯ সালে বর্তমান প্রধান শিক্ষক এস এম ফরহাদুল আলম এখানে যোগদান করেন। তিনিও একসময় এই বিদ্যালয়েরই ছাত্র ছিলেন। জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কারপ্রাপ্ত এই বিদ্যালয় থেকেই পড়াশোনা করে অনেক শিক্ষার্থী আজ বড় বড় জায়গায় চাকরি করছেন।

 

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০২৪ সালেও তারা বৃত্তি পরীক্ষায় রেকর্ড ফলাফল করেছিল। এবারও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখে সিংড়া উপজেলার মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে।

 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম ফরহাদুল আলম বলেন, “কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই, আমাদের বিদ্যালয়ের পেছনে একটি জলাশয়-

পুকুর আছে। সেটি ভরাট করা খুবই প্রয়োজন। তাহলে ছেলে-মেয়েরা অনায়াসে খেলাধুলা করতে পারবে। এছাড়া বিদ্যালয়ের সামনেই চলমান রাস্তা। ছোট ছোট বাচ্চাদের যাতায়াতের সময় ছোটখাটো দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটে।”

 

তিনি আরও জানান, বর্তমানে এই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৭৫০ জন। যা নাটোর জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি। অনেক দূর-দূরান্ত থেকে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের ভর্তি করাতে আসেন। আসন সংকটের কারণে অনেক সময় অনেক ছাত্র-ছাত্রীকে ভর্তি করানো সম্ভব হয় না।

 

ছাত্র-ছাত্রীর অনুপাতে শিক্ষক-শিক্ষিকার সংখ্যা কম হওয়ায় পাঠদানে কষ্ট করতে হয়। মাত্র ১২ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা দিয়ে পাঠদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। আবার ওয়াশরুমের সংখ্যাও অপ্রতুল। এ কারণে বাচ্চাদের অনেক সময় লাইনে দাঁড়িয়ে ওয়াশরুমের কাজ সারতে হয়।

 

ভবিষ্যতে বিদ্যালয়টি যেন আরও সুনাম অর্জন করতে পারে সেজন্য এলাকার নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি, অভিভাবক এবং বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সবার সুদৃষ্টি কামনা করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ ...
কপিরাইটঃ ২০২৬ দৈনিক সংবাদ শিরোনাম এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Developed by Infix Digital