পোস্টে ড. আসিফ নজরুল বলেন, শরীফ ওসমান হাদি ছিলেন গণমানুষের অতিপ্রিয় মুখ। অনেক মানুষ তাকে হাদি হত্যার বিচারের বিষয়ে অনুরোধ করতেন। তিনি সরকারে থাকা অবস্থায় জানিয়েছিলেন যে এ মামলার বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে হবে। তাঁর আশা ছিল, তাদের সরকারের মেয়াদকালেই এ বিচার সম্পন্ন হবে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এখনো এ হত্যাকাণ্ডের বিচার শুরুই করা যায়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি।
আরও দেখুন:মির্জা আব্বাসকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুর নেওয়া হবে
তিনি আরও জানান, চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি হাদি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। তবে মামলার বাদী অভিযোগপত্রে সন্তুষ্ট না হয়ে এর বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি আবেদন করেন। এ ধরনের মামলায় নারাজি আবেদন করা হলে আদালতের পক্ষে অভিযোগপত্র গ্রহণ করে বিচার শুরু করা সমীচীন হয় না। এ কারণে আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)-কে নির্দেশ দেন। সেই তদন্ত এখনো শেষ হয়নি, ফলে বিচার কার্যক্রমও শুরু করা সম্ভব হয়নি।
ড. আসিফ নজরুল বলেন, সিআইডির তদন্ত শেষে নতুন করে অভিযোগপত্র দাখিল করা হলে এবং তাতে যদি আর নারাজি না আসে, তাহলে বিচার কার্যক্রম শুরু হবে। তবে তদন্তে ত্রুটি, অসম্পূর্ণতা বা অন্য কোনো কারণে বাদী আবারও নারাজি দিলে বিচার আরও বিলম্বিত হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, আদালত সার্বিক বিবেচনায় উপযুক্ত মনে করলে বাদীর নারাজি আবেদন উপেক্ষা করে বিচার শুরু করতে পারে। তবে সে ক্ষেত্রে বিচার নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সাধারণভাবে অনেকেই মনে করেন তদন্ত ও বিচার খুব সহজ বিষয়, কিন্তু বাস্তবে তা এতটা সরল নয়। তবে সবার সদিচ্ছা থাকলে বিলম্ব কমানো সম্ভব এবং সঠিক তদন্ত ও বিচারও নিশ্চিত করা যায়। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবার সদিচ্ছা থাকা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি