রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
Manarat Invitational- Chapter One এ বিজয়ী জবি ডিবেটিং সোসাইটির টিম ‘একাত্তরের গণহত্যা’ জবি মনোবিজ্ঞান অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা, নেতৃত্বে আরিফুল-শাকিল জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ–২০২৬ ভৈরবে সাবেক কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা সৈকতকে কুপিয়ে হত্যা জুলাই সনদের পথ ধরেই হাঁটবে সরকার: আইনমন্ত্রী তিন বন্ধুর হাত ধরে মফস্বলে স্বপ্নের দিগন্তে ‘অ্যাবসাইন ফ্যাশন’ সিংড়ার সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বানরীপাড়ায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক নীলফামারীতে এনডিইএ’র আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা ২১ শে আগস্ট উপলক্ষে জবিতে ব্যানার দিয়ে উপস্থিতি জানান দিল ছাত্রলীগ

পঞ্চগড়ে ঈদুল আযহা ঘিরে কামার পাড়ায় বেড়েছে ব্যস্ততা

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
  • ৬০ মোট ভিউ

 

 

 

 

পবিত্র ঈদুল আযহার আর মাত্র তিন দিন বাকি। কোরবানিকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন পঞ্চগড় সদর উপজেলার কামাররা। পঞ্চগড় বাজারের কামারপাড়ায় সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে লোহা পেটানোর টুংটাং শব্দ। দা, বঁটি, ছুরি, চাপাতি ও কোরবানিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম তৈরিতে এখন দম ফেলার ফুরসত নেই তাদের।

স্থানীয়রা জানান, অর্ধশত বছর ধরে পঞ্চগড় বাজারের কামারপাড়ায় চলে আসছে এ কর্মযজ্ঞ। প্রতি বছর কোরবানির ঈদ ঘিরে বাড়ে কাজের চাপ। এবারও ভোর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত টানা কাজ করে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করছেন কামাররা।

কামারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কোরবানির মৌসুমে কাজের চাপ বাড়লেও কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধির কারণে আগের মতো লাভ হচ্ছে না। তারপরও বাপ-দাদার পেশা ধরে রাখতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তারা।

 

পঞ্চগড় বাজারের কামার মজিবর বলেন, “সারা বছরই আমাদের কাজ চলে। তবে ঈদ আসলে ব্যস্ততা অনেক বেড়ে যায়। দিন-রাত পরিশ্রম করে কাস্টমারদের জিনিসপত্র তৈরি করছি।”

প্রায় ৫০ বছর ধরে এ পেশার সঙ্গে জড়িত মজিবর রহমান বলেন, “এটা আমাদের বাপ-দাদার পেশা। চাইলেও এ পেশা ছাড়তে পারছি না। কিন্তু এখনকার ছেলেরা এসব কষ্টের কাজ করতে চায় না। তাই ভবিষ্যতে এ শিল্প টিকে থাকবে কি না, তা নিয়ে চিন্তায় আছি।”

 

কোরবানির জন্য ছুরি-চাপাতি কিনতে আসা আনিছুর রহমান মানিক বলেন, “বর্তমানে সবকিছুর দাম বেড়েছে। তাই লোহার জিনিসপত্রের দামও বেশি। তারপরও কোরবানির কাজে লাগবে বলে কিনতে হচ্ছে।”

 

স্থানীয়দের মতে, আধুনিকতার ছোঁয়ায় অনেক ঐতিহ্যবাহী পেশা হারিয়ে গেলেও এখনো টিকে আছে কামার শিল্প। তবে নতুন প্রজন্মের অনাগ্রহ ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির কারণে এ শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ ...
কপিরাইটঃ ২০২৬ দৈনিক সংবাদ শিরোনাম এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Developed by Infix Digital