সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
Manarat Invitational- Chapter One এ বিজয়ী জবি ডিবেটিং সোসাইটির টিম ‘একাত্তরের গণহত্যা’ জবি মনোবিজ্ঞান অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা, নেতৃত্বে আরিফুল-শাকিল জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ–২০২৬ ভৈরবে সাবেক কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা সৈকতকে কুপিয়ে হত্যা জুলাই সনদের পথ ধরেই হাঁটবে সরকার: আইনমন্ত্রী তিন বন্ধুর হাত ধরে মফস্বলে স্বপ্নের দিগন্তে ‘অ্যাবসাইন ফ্যাশন’ সিংড়ার সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বানরীপাড়ায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক নীলফামারীতে এনডিইএ’র আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা ২১ শে আগস্ট উপলক্ষে জবিতে ব্যানার দিয়ে উপস্থিতি জানান দিল ছাত্রলীগ

বইমেলাকে প্রান্তিক পর্যায়ে নিতে সহযোগিতা করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

অফিস ডেস্ক
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৮৫ মোট ভিউ

বইমেলা আন্তজার্তিক পর্যায়ে আয়োজন করা যায় কিনা, তা ভেবে দেখতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) অমর একুশে বইমেলা ও অনুষ্ঠানমালা ২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করে দেয়া প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষার স্বীকৃতি অর্জনে কাজ করবে সরকার। বইমেলাকে বছরজুড়ে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেয়ার আহবান জানান তিনি।

বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বই শুধু বিদ্যা শিক্ষা বা অবসরের সঙ্গী নয়, বরং বই পড়া মস্তিষ্কের জন্য এক ধরনের ব্যাংক। নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস মানুষের স্মৃতিশক্তি ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা বাড়ায় এবং আলজাইমার বা ডিমেনশিয়ার মতো রোগের ঝুঁকি কমায়।’

তরুণ প্রজন্মের ইন্টারনেটে আসক্তি ও বইবিমুখতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইন্টারনেটে বই পড়া গেলেও কাগজের পাতায় কালো অক্ষরের গভীরতা অন্য কোথাও পাওয়া সম্ভব নয়। গবেষকরা বলছেন, অতিরিক্ত ইন্টারনেট আসক্তি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার আগ্রহ কমিয়ে দেয়। তাই তরুণদের বইয়ের প্রতি আগ্রহী করে তোলার উপায় আমাদের বের করতে হবে।’

 

আন্তর্জাতিক জরিপের তথ্য উল্লেখ করে তিনি জানান, ১০২টি দেশের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাসে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৭তম, যা অত্যন্ত উদ্বেগের। বাংলাদেশে একজন মানুষ বছরে গড়ে মাত্র ৩টি বই পড়েন। এই পরিস্থিতির পরিবর্তনে অমর একুশে বইমেলাকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার তাগিদ দেন তিনি।

 

প্রধানমন্ত্রী আগামী বছরগুলোতে অমর একুশে বইমেলাকে ‘অমর একুশে আন্তর্জাতিক বইমেলা’ হিসেবে আয়োজন করার প্রস্তাব করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, এর মাধ্যমে বিশ্ব সাহিত্যের সঙ্গে আমাদের নাগরিকদের পরিচয় ঘটবে এবং বহু ভাষা ও সংস্কৃতি শেখার সুযোগ তৈরি হবে। একইসঙ্গে বাংলা ভাষাকে জাতিসংঘের অফিশিয়াল ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ের লক্ষ্যে কাজ শুরু করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

 

দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি জবাবদিহিমূলক সরকার দেশটাকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করতে চায়। বইমেলা যেন শুধু বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ বা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং সারা বছর দেশের প্রতিটি বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় ছড়িয়ে পড়ে, সে ব্যাপারে সরকার ও প্রকাশকদের উদ্যোগী হতে হবে।’

 

তিনি আরও জানান, বাংলা একাডেমি তরুণ লেখকদের প্রশিক্ষণ, গবেষণাবৃত্তি এবং বিশ্ব সাহিত্যের সঙ্গে যোগসূত্র স্থাপনে অনুবাদ কার্যক্রম বেগবান করছে। একটি নিরাপদ, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে দল-মত নির্বিশেষে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

 

সবশেষে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানকে ধারণ করে সকল প্রকার অন্ধকার ও পশ্চাৎপদতা মুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি ২০২৬ সালের বইমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন : হিটলার যুগের কৌশল অবলম্বন করছেন ট্রাম্প : তেহরান

শেয়ার করুন

One thought on "বইমেলাকে প্রান্তিক পর্যায়ে নিতে সহযোগিতা করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী"

Comments are closed.

আরো সংবাদ ...
কপিরাইটঃ ২০২৬ দৈনিক সংবাদ শিরোনাম এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Developed by Infix Digital