শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
নেচার ইনডেক্সে একাডেমিকে ১০ম, রসায়নে দ্বিতীয় জবি বসুন্ধরা শপিং মলে শত শত মানুষের সামনে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু যুদ্ধক্ষেত্রে এআই ব্যবহার ‘সভ্যতার জন্য হুমকি’: পোপ লিও, আসছে নতুন ইশতেহার ১২৭তম নজরুল জন্মজয়ন্তী ও তারুণ্যের ভাবনা পঞ্চগড়ে কোরবানির ঈদকে ঘিরে কামারশালায় ব্যস্ততা থাকলেও বিক্রি কম নতুন সরঞ্জামের প্রতিমন্ত্রীর উদ্বোধনে পঞ্চগড়ে মাসব্যাপী হস্ত ও কুটির শিল্প মেলা শুরু পঞ্চগড়ে ঈদের আগে সড়কে ধান-খড়, বাড়ছে দুর্ঘটনার শঙ্কা ইসলামের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসে আজ পবিত্র আরাফার দিন ঈদের বাস, ডুয়েট শিক্ষার্থীদের ‘অধিকার’ এর প্রশ্ন লালপুরে ফাঁকা রাস্তায় ডাকাতির সময় ৩ জন ডাকাত সদস্য আটক

তিন বিশ্বকাপে ভবিষ্যদ্বাণী মিলেছে! এবার কার হাতে উঠবে সোনার ট্রফি?

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
  • ১৭ মোট ভিউ

 

 

 

 

বিশ্বকাপ ঘিরে প্রতি আসরেই নানা ভবিষ্যদ্বাণী সামনে আসে। কেউ পরিসংখ্যান দেখে, কেউ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে, আবার কেউ বিশ্লেষণ করেন জটিল গাণিতিক সূত্রে। তবে এসবের ভিড়ে এমন একজন আছেন, যার পূর্বাভাসকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ কম। কারণ, টানা তিনটি বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন নিয়ে তার হিসাব হুবহু মিলে গেছে। এবারও তিনি দিয়েছেন নতুন ইঙ্গিত আর সেই তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে নেদারল্যান্ডস।

 

জার্মান অর্থনীতিবিদ ও প্যানমিউর লিবারিয়াম ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের কর্মকর্তা জোয়াকিম ক্লেমেন্ট তার বিশেষ বিশ্লেষণ পদ্ধতির মাধ্যমে আগের তিন বিশ্বকাপের শিরোপাজয়ী দল সঠিকভাবে অনুমান করেছিলেন। তার হিসাব অনুযায়ী ২০১৪ সালে জার্মানি, ২০১৮ সালে ফ্রান্স এবং ২০২২ সালে আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতেছিল।

 

এবার সেই একই মডেল বলছে, ২০২৬ বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়তে পারে নেদারল্যান্ডস। বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী দল হওয়া সত্ত্বেও তিনবার ফাইনালে পৌঁছে ট্রফি ছুঁতে না পারা ডাচদের সামনে নাকি এবার খুলতে পারে ভাগ্যের নতুন দুয়ার।

 

মজা করতে গিয়েই তৈরি হয়েছিল ‘ভাগ্যবাণী’ মডেল

 

চমকপ্রদ বিষয় হলো, এই বিশ্লেষণ পদ্ধতির শুরুটা ছিল একেবারেই ভিন্ন উদ্দেশ্যে। ২০১৪ সালে অর্থনীতিবিদদের অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস নিয়ে রসিকতা করতেই মডেলটি তৈরি করেছিলেন ক্লেমেন্ট। কিন্তু পরে সেটিই বাস্তবে অবিশ্বাস্যভাবে ফল দিতে শুরু করে।

 

তিনি বলেন, “শুরুটা ছিল নিছক মজা থেকে, কিন্তু টানা তিনবার মিলিয়ে যাওয়াটা অপ্রত্যাশিত।”

 

শুধু ফুটবল নয়, হিসাব চলে অর্থনীতি-আবহাওয়ারও

 

ক্লেমেন্টের মডেলের সবচেয়ে ভিন্ন দিক হলো এটি শুধু মাঠের ফলাফল বা খেলোয়াড়দের সামর্থ্যের ওপর নির্ভর করে না। বরং অর্থনৈতিক অবস্থা, জনসংখ্যা, আবহাওয়ার ধরন, ফুটবলের জনপ্রিয়তা এবং ফিফা র‌্যাঙ্কিং—সব মিলিয়ে তৈরি হয় চূড়ান্ত বিশ্লেষণ।

 

তার মডেলে মাথাপিছু আয়কে গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে ধরা হয়। কারণ উন্নত প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা, অবকাঠামো এবং খেলোয়াড় তৈরির পেছনে অর্থ বড় ভূমিকা রাখে। তবে অতিরিক্ত সমৃদ্ধ দেশগুলোতে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ কমে যাওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়।

 

এ ছাড়া জনসংখ্যাকে সম্ভাব্য প্রতিভার উৎস হিসেবে ধরা হলেও, ফুটবল যদি জনপ্রিয় না হয়, তাহলে বড় জনসংখ্যাও কাজে আসে না।

 

আবহাওয়ার ক্ষেত্রেও রয়েছে নির্দিষ্ট বিশ্লেষণ। ক্লেমেন্টের মডেল অনুযায়ী, গড়ে প্রায় ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ফুটবল বিকাশের জন্য সবচেয়ে অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে।

 

এখন প্রশ্ন একটাই টানা তিনবার মিলেছে যে হিসাব, এবারও কি তা সত্যি হবে? নাকি বিশ্বকাপের মাঠ আবারও উল্টে দেবে সব সমীকরণ?

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ ...
কপিরাইটঃ ২০২৬ দৈনিক সংবাদ শিরোনাম এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Developed by Infix Digital