নাটোরের সিংড়া উপজেলার বিলদহর এলাকার নতুন আর্চ দৃষ্টিনন্দন ব্রিজটি নির্মাণের পর এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিলদহর বাজারের ছোট-বড় প্রায় চারশত ওর উপরে ব্যাবসিক মহলসহ আশেপাশের ৮ থেকে ১০ টি গ্রামের হাজারো মানুষের উপকৃত দৃষ্টিনন্দন বিলদহর ব্রিজ।
দিনের আলোয় ব্রিজটির অপরূপ সৌন্দর্য দেখতে প্রতিদিন শত শত মানুষ ভিড় জমায়।
কিন্তু সূর্য ডোবার সাথে সাথেই বদলে যায় ব্রিজটির চিত্র। আলোর অভাবে ব্রিজটি পরিণত হয় এক ভয়ংকর মৃত্যুফাঁদে।
স্থানীয়দের অভিযোগ:
ব্রিজটিতে কোনো স্ট্রিট লাইট বা সোলার লাইট না থাকায় রাতের বেলা পথচারী,মোটরসাইকেল ও রিকশা চালকরা চরম ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হন। অন্ধকারে ব্রিজের রেলিং দেখা যায় না। ফলে প্রায়ই ছোট-খাটো দুর্ঘটনা ঘটছে, সন্ধ্যার পর মাদকসেবী ও ছিনতাইকারীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে ব্রিজটি।
বিলদহর বাজারের ব্যবসায়ী মোঃ আলম আলী বলেন, “দিনের বেলায় ব্রিজটা আমাদের গর্ব,কিন্তু রাত ৭: টার পর এই ব্রিজ দিয়ে যেতে গা ছমছম করে রাত নামলেই নেমে আসে ঘুটঘুটে অন্ধকার ভয়ংকর রূপ ধারণ করে। বিলদহর বাজারের একজন স্থায়ী বাসিন্দা মোঃ শহিদুল সরকার বলেন এই
ব্রিজে…দিনের বেলায় সেলফির জায়গা,আর রাতের বেলায় আতঙ্কের জায়গা!
এই অন্ধকারের সুযোগে ছিনতাই,
মাদক সেবন ও বিভিন্ন অপকর্ম বেড়ে যাচ্ছে।
বিলদহর হাঠ/বাজার পরিচালনার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান নান্নু এবং সোহেল রানা বলেন-
একটা সোলার লাইট = হাজারো মানুষের নিরাপত্তা,ছাত্র-ছাত্রী- সন্ধ্যার পর কোচিং করে নিরাপদে বাড়ি ফিরবে, ব্যবসায়ী রাত করে মাল নিয়ে বাজারে আসতে ভয় পাবে না, রোগী জরুরি সময়ে অ্যাম্বুলেন্স বিনা বাধায় পার হবে, সাধারণ মানুষ ছিনতাই আর অন্ধকারের আতঙ্ক
থাকবে না।
এলাকাবাসীর দাবি,
বর্তমানে ব্রিজে আলো নেই,
নিরাপত্তা নেই।
কবে লাগবে সোলার লাইট” ব্রিজটিতে জরুরি ভিত্তিতে সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হোক। সোলার লাইট হলে বিদ্যুৎ বিলের ঝামেলা থাকবে না এবং পরিবেশবান্ধব হবে।
এ বিষয়ে সিংড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এলজিইডির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী।