শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:১৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
বিশ্বকাপে আমন্ত্রণ পেয়েও যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে পারলেন না ফিলিস্তিন ফুটবল প্রধান ৩০ বছর জেল দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের ৪১ লাখ নারী পাবেন ফ্যামিলি কার্ড: প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন লালমনিরহাট সীমান্তে কড়া নজরদারি, বিজিবির সঙ্গে মাঠে স্থানীয়রাও চীনের মতো এগোতে হলে নিজেদেরই বদলাতে হবে: মির্জা ফখরুল অটো লগআউটের বিভ্রাটে ফেসবুক-মেসেঞ্জারের কোটি ব্যবহারকারী বাগাতিপাড়ায় জনকল্যাণে সহায়তার হাত প্রসারিত করলেন প্রতিমন্ত্রী পুতুল উপজেলা পর্যায়ে বিজ্ঞানভিত্তিক প্রকল্প উদ্ভাবনী ধারণা,গবেষণা এবং স্টার্টআপ অনুষ্ঠিত। পঞ্চগড়ে এসএসসি পরীক্ষায় বিশেষ সুবিধা : কেন্দ্র সচিবের বিরুদ্ধে অনৈতিকতার অভিযোগ পঞ্চগড়ে ইউ-ড্রেন ভাঙায় ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বড় লক্ষ্য, ২০২৬-২৭ বাজেটে ৭.৫ শতাংশে নামানোর পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬
  • ১১ মোট ভিউ

 

 

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যে চাপে থাকা সাধারণ মানুষের জন্য স্বস্তির বার্তা নিয়ে আসছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট। মূল্যস্ফীতির লাগাম টেনে অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য সামনে রেখে সরকার আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করবেন। প্রস্তাবিত বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজেটের মূল দর্শন হিসেবে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, বাজার ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা এবং জনগণের ক্রয়ক্ষমতা পুনরুদ্ধারের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। সরকারের মতে, সামষ্টিক অর্থনীতিতে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে পারলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সৃষ্টি হবে।

প্রস্তাবিত বাজেটে উল্লেখ করা হয়েছে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা, আন্তর্জাতিক বাজারের অনিশ্চয়তা, ভূরাজনৈতিক সংঘাত এবং দেশের অর্থনীতির বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একটি সমন্বিত সামষ্টিক অর্থনৈতিক কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এবারের বাজেট প্রণয়নে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার পাশাপাশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, উৎপাদন সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ন্যায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়গুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

 

 

আরো পড়ুন:

প্রযুক্তি দিয়ে জীবন বাঁচানোর লড়াই: নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ‘ব্লাডরিচ’

 

বাজেট বক্তব্যে আশা প্রকাশ করা হয়েছে, সরকারের চলমান অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রম এবং নতুন নীতিগত পদক্ষেপের মাধ্যমে বাংলাদেশ ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে যাবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণের মাধ্যমে বাংলাদেশ জনমিতিক সুবিধা (ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড) ও দীর্ঘায়ুজনিত সুবিধা (লংজেভিটি ডিভিডেন্ড) কাজে লাগাতে সক্ষম হবে। একই সঙ্গে দেশে গণতান্ত্রিক বিকাশের সুফলও (ডেমোক্রেটিক ডিভিডেন্ড) অর্জিত হবে বলে সরকার আশা করছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ বাস্তবায়ন এবং উৎপাদন ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে নতুন অর্থবছরে অর্থনীতিতে কাঙ্ক্ষিত গতি ফিরে আসতে পারে। সরকারের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রাগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় দৃশ্যমান স্বস্তি নিশ্চিত করা।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ ...
কপিরাইটঃ ২০২৬ দৈনিক সংবাদ শিরোনাম এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Developed by Infix Digital