পঞ্চগড়ে এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র সচিবের বিরুদ্ধে এক পরীক্ষার্থীকে বিশেষ সুবিধা দিয়ে গোপনে তিনটি বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, মাত্র দুই ঘণ্টায় পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষণ খাতা, মৌখিকসহ ৭৫ নম্বরের ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়।
গত রোববার (৭ জুন) পঞ্চগড় সদরের জগদল প্রাথমিক ও উচ্চবিদ্যালয় এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। অভিযুক্ত কেন্দ্র সচিব জগদল দ্বিমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান।
কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য ৮ ও ৯ জুন তারিখ নির্ধারিত থাকলেও নির্ধারিত সময়ের একদিন আগে ৭ জুন এক পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে এনে এককভাবে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অনুপস্থিতিতে শুধুমাত্র বিদ্যালয়ের ল্যাব সহকারী মিজানুর রহমানের তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা নেওয়া হয়। এছাড়া নির্ধারিত ৯ জুন পরীক্ষার্থীর উপস্থিতির স্বাক্ষরও ল্যাব সহকারী করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে কেন্দ্র সচিব আনিসুর রহমান বলেন, পরীক্ষার্থীর বাবা এবং ওই ছাত্রীর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অনুরোধে পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তবে পরীক্ষার্থীর এককভাবে পরীক্ষা দেওয়ার কোনো লিখিত আবেদন তিনি দেখাতে পারেননি। তিনি আরও দাবি করেন, এ ঘটনায় কোনো আর্থিক লেনদেন হয়নি; পরীক্ষার্থীর বাবা শুধু চা-নাশতার আপ্যায়ন করেছেন।
এ বিষয়ে পঞ্চগড় সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লুৎফুল কবির মো. কামরুল হাসান বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত হয়েছি। এককভাবে কোনো পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে লিখিত আবেদন প্রয়োজন হয়। প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে