মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ঘরে বসে যেভাবে নিবন্ধন করবেন ‘ফুয়েল পাস’ ২৮ দিনে কুমিল্লা সিটির আয়-ব্যয়ের হিসাব দিলেন প্রশাসক ছেলেসহ ৩ জনকে কুপিয়ে ছাদ থেকে লাফ দিয়ে সাবেক কনস্টেবলের মৃত্যু বাংলাদেশিরা কবে থেকে ভারতীয় ভিসা পাবেন, জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা দুই হলের বৈধ কাগজ প্রদানে প্রশাসনকে ৫ দিনের আল্টিমেটাম জবি ছাত্রদলের জবির সাবেক ছাত্রদল নেতা পারভেজ রেজার উদ্যোগে মশা নিধন ও ড্রেনেজ পরিষ্কার কার্যক্রম শুরু গুম হওয়া ছাত্রদল নেতার বোনের বিএনপির নারী আসনে মনোনয়ন গ্রহণ রবিনের প্রচেষ্টায় জিয়া সরণি খালকে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত করতে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হামে আক্রান্তের সংখ্যা কবে কমবে, জানালেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য আলোচনায় এনসিপির দুই শীর্ষ নেত্রী

সংস্কার থেকে সরে গেলে ফের অভ্যুত্থানের হুঁশিয়ারি হাসনাত আবদুল্লাহর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৩ মোট ভিউ

কুমিল্লা–৪ আসনের ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, যদি ক্ষমতাসীনেরা মেজরিটির বড়াই করে সংস্কার থেকে পিছিয়ে যায়, তবে চব্বিশের মতো আরেকটি অভ্যুত্থানের প্রস্তুতি কোনো না কোনো সময় শুরু হবে।

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিচার বিভাগ ও মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্র সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কথা বলেন হাসনাত।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ব্যক্তি পরিবর্তনের জন্য নয়, রাষ্ট্রকাঠামোর আমূল পরিবর্তনের জন্যই চব্বিশের গণ–অভ্যুত্থান হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, ‘যদি আগের সিস্টেম অক্ষুণ্ন রাখা হয়, তবে যেকোনো ব্যক্তিই পরবর্তী সময়ে হাসিনা হয়ে উঠতে পারে। হাসিনা কোনো একক ব্যক্তি নয়, বরং অনেকগুলো ফ্যাসিবাদী আইডিয়ার সমষ্টি।’

আজ সোমবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিডিবিএল ভবনে আয়োজিত নাগরিক সংলাপে এ কথা বলেন হাসনাত আবদুল্লাহ। ‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা–সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিল ও গুম প্রতিরোধ/প্রতিকার অধ্যাদেশ স্থগিত: সুশাসন ও মানবাধিকারের অগ্রযাত্রার প্রতি হুমকি’ শীর্ষক এই নাগরিক সংলাপের আয়োজক ভয়েস ফর রিফর্ম।

রাষ্ট্রকাঠামোর পরিবর্তন না হলে জাতি আবারও অন্ধকারের দিকে ধাবিত হবে বলে মন্তব্য করেন হাসনাত। গুম হওয়া ব্যক্তির পরিবারগুলোর কষ্টের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষ এমন একটি রাষ্ট্র চেয়েছিল, যেখানে কাউকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে হাওয়া করে দেওয়া হবে না।

মানবাধিকার কমিশনকে মন্ত্রণালয় বা সরকারি নিয়ন্ত্রণের অধীন রাখার সমালোচনা করে হাসনাত বলেন, যদি মানবাধিকার কমিশনের অধ্যাদেশ যথাযথভাবে কার্যকর না হয়, তবে ২০০৯ সালের আইন অনুযায়ী তদন্তের দায়িত্ব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হাতে চলে যাবে। এর ফলে জুলাই অভ্যুত্থানে পুলিশ হত্যার মতো বিষয়গুলোর তদন্তের ভার পুলিশের হাতেই থাকবে, যা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।

ভয়েস ফর রিফর্মের উদ্যোক্তা ও সংগঠক ফাহিম মাশরুরের সঞ্চালনায় নাগরিক সংলাপে বক্তব্য দেন আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী মানজুর–আল–মতিন।

মানজুর–আল–মতিন বলেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অপসারণ–সংক্রান্ত অধ্যাদেশ দ্রুত গৃহীত হলেও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতকারী আইনটি আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে রাখা হয়েছে। সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষা ও গুম বন্ধের ম্যান্ডেট রক্ষায় সরকারকে কালক্ষেপণ না করে দ্রুত বিচার বিভাগ স্বাধীন করার আহ্বান জানান তিনি।

এতে বক্তব্য দেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী, আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাসিবউদ্দীন হোসেন, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান প্রমুখ।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ ...
কপিরাইটঃ ২০২৬ দৈনিক সংবাদ শিরোনাম এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Developed by Infix Digital