সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:১৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
Manarat Invitational- Chapter One এ বিজয়ী জবি ডিবেটিং সোসাইটির টিম ‘একাত্তরের গণহত্যা’ জবি মনোবিজ্ঞান অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা, নেতৃত্বে আরিফুল-শাকিল জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ–২০২৬ ভৈরবে সাবেক কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা সৈকতকে কুপিয়ে হত্যা জুলাই সনদের পথ ধরেই হাঁটবে সরকার: আইনমন্ত্রী তিন বন্ধুর হাত ধরে মফস্বলে স্বপ্নের দিগন্তে ‘অ্যাবসাইন ফ্যাশন’ সিংড়ার সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বানরীপাড়ায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক নীলফামারীতে এনডিইএ’র আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা ২১ শে আগস্ট উপলক্ষে জবিতে ব্যানার দিয়ে উপস্থিতি জানান দিল ছাত্রলীগ

জাল সনদে নিয়োগ: আরও ১৪১ শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
  • ৪৯ মোট ভিউ

 

 

 

 

ভুয়া বা জাল সনদে চাকরির অভিযোগে চিহ্নিত আরও ১৪১ জন শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে শিক্ষা প্রশাসন। এর মধ্যে মাদরাসা, কলেজ ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা রয়েছেন।

 

নোটিশপ্রাপ্তদের মধ্যে মাদরাসা পর্যায়ের ১১৪ জন, কলেজ পর্যায়ের ২৪ জন এবং কারিগরি শিক্ষা পর্যায়ের ৩ জন শিক্ষক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

 

নোটিশে তাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে— কেন তাদের এমপিও (বেতন-ভাতা বাবদ মাসিক অনুদান) স্থগিত বা বাতিল, নিয়োগ বাতিল এবং অন্যান্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না— সে বিষয়ে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে।

 

রবিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি), মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর পৃথকভাবে এ কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করে। এর আগে গত ২৩ মে মাউশি প্রথম ধাপে ৬৩ জন শিক্ষককে একই ধরনের নোটিশ দিয়েছিল।

 

আরও পড়ুন :নাটোরে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে বাস কাউন্টার মাস্টারকে কুপিয়ে জখম

 

 

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) এসব শিক্ষকের সনদ যাচাই করে জাল বা ভুয়া হিসেবে চিহ্নিত করে। পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়ে তালিকা ও সুপারিশ পাঠানো হয়।

 

এর ভিত্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয় সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে। এরপরই ধাপে ধাপে প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

 

ডিআইএ-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদনে দুই ধাপে মোট ৭৩৩ জন শিক্ষকের সনদ জাল বলে শনাক্ত করা হয়। এর মধ্যে প্রথম ধাপে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের ৪৭১ জনের তালিকা ১৬ এপ্রিল মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে পাঠানো হয়।

 

অন্যদিকে, ২৭ এপ্রিল মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বিভাগে আরও ২৬২ জনের তালিকা পাঠানো হয়। ওই তালিকায় ২৫১ জনের শিক্ষক নিবন্ধন সনদ এবং বাকি ১১ জনের বিপিএড, বিএড বা গ্রন্থাগার সংক্রান্ত সনদ জাল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানায় ডিআইএ।

 

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জাল সনদধারীদের বিরুদ্ধে চলমান এই ব্যবস্থা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হতে পারে।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ ...
কপিরাইটঃ ২০২৬ দৈনিক সংবাদ শিরোনাম এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Developed by Infix Digital