আগামী অর্থবছরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রায় ১৪ লাখ বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। বৈদেশিক কর্মসংস্থানের পরিধি বাড়ানো, নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধান এবং বন্ধ বা সীমিত বাজার পুনরায় চালুর উদ্যোগের মধ্যেই এ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সোমবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের দ্বিতীয় বৈঠকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর পক্ষে বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাকের এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, বিগত ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ৩১ মে পর্যন্ত সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মোট ৯ লাখ ৩৩ হাজার ৮১৫ জন বাংলাদেশি কর্মী বৈদেশিক কর্মসংস্থান লাভ করেছেন।
আরও পড়ুন : জুলাইয়ে চোখে গুলি, এখন নেতৃত্বের আলোচনায় সুজন মোল্লা
তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দক্ষ ও পেশাদার কর্মী পাঠানোর মাধ্যমে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে সরকারের পক্ষ থেকে নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী নুর বলেন, যেসব দেশে বর্তমানে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ বন্ধ বা সীমিত রয়েছে, সেসব দেশের শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত ও সম্প্রসারণের জন্য মালয়েশিয়া, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইনের সঙ্গে সরকারের কূটনৈতিক আলোচনা ও দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চলমান রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিদ্যমান শ্রমবাজারে কর্মী পাঠানোর গতি বজায় রাখার পাশাপাশি নতুন গন্তব্য খুঁজে বের করা এবং বন্ধ বাজারগুলো পুনরায় চালু করতে পারলে আগামী অর্থবছরে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।