সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৩:০৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
বিশ্বকাপ উম্মাদনা; নাটোরে জার্মান প্রবাসী সাগরের গ্রামের বাড়ি জার্মানি সাজে ভাইরাল! পঞ্চগড়ে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত মাদ্রাসা পরিদর্শনে জেলা জামায়াত নেতৃবৃন্দ বিশ্বকাপে মেসিরা মাঠে নামার আগেই দল ছাড়লেন আর্জেন্টাইন ফুটবলার যুক্তরাষ্ট্র ঢুকতে না পারা সেই রেফারিকে সুখবর দিল ফিফা ডাচদের হারিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করল বাংলাদেশের মেয়েরা প্রাথমিক শিক্ষকদের ভোগান্তি কমাতে বদলি প্রক্রিয়ায় আসছে কঠোর নীতিমালা : প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের এইচএসসি সিঙ্গাপুরের ক্লাস সিক্সের সমান: ববি হাজ্জাজ শিগগিরই এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শূন্যপদে গণবিজ্ঞপ্তি বেনজীর গ্রেফতারে নতুন তথ্য, জাতীয় সংসদে বিস্তারিত তুলে ধরলেন মন্ত্রী X Force Group-এর সহযোগিতায় বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে উঠেছে জবি ক্যাম্পাস

শবে বরাত গুনাহ মাফের এক সুবর্ণ সুযোগ

অফিস ডেক্স
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১০৮ মোট ভিউ

বর্তমানে শবে বরাত সম্পর্কে দুই শ্রেণির মানুষ দেখা যায়, এক.যারা এ রাত নিয়ে প্রচন্ড বাড়াবাড়ি করে, অর্থাৎ বিভিন্ন রসম রেওয়াজ ও বিদআতি কর্মকান্ডের মাধ্যমে এ রাতকে উদ্যাপন করে। যা সম্পূর্ণ না জায়েজ। দুই.যারা প্রবল ছাড়াছাড়ি করে, অর্থাৎ তারা বলে ইসলামে শবে বরাতের কোন ভিত্তি নাই। শবে বরাতের সকল হাদিসকে জঈফ, জাল আখ্যায়িত করে, মুসলমানদেরকে বিভ্রান্ত করে চলছে। উভয় শ্রেণির বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ি থেকে বের হয়ে মধ্যমপন্থা অবলম্বন করা ও মাগফিরাতের পথ দেখানোর জন্যই আমাদের এ আয়োজন।


শবে বরাতের ফজিলত ও প্রমাণ
এক.আল্লাহ তাআলা শাবানের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতে সৃষ্টিকুলের দিকে রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও হিংসুক ব্যতিত সবাইকে ক্ষমা করে দেন। (সহিহ ইবনে হিব্বান, হা. নং ৫৬৬৫)
বর্ণিত হাদিসটি আল্লামা আলবানি রহ. ইমাম তাইমিয়া রহ. এবং মুবারকপুরি রহ. প্রমুখগনের মতেও সহিহ। দুই.আল্লাহ তাআলা অর্ধ শাবানের রাতে দুনিয়ার আকাশে আগমন করেন অত:পর কালব গোত্রের বকরির পশমের সংখ্যার চেয়েও বেশী মানুষকে ক্ষমা করেন। (সুনানে তিরমিজি- হা. নং ৭৩৯)

শবে বরাতে করণীয় কাজ সমূহ
এ রাতে বিশেষ কোন ইবাদত নেই। তবে এক. বেশী বেশী নফল নামাজ পড়া। দুই.তিলাওয়াত, জিকির আজকার করা।তিন.দোয়া,কান্না-কাটি করে ক্ষমা চাওয়া। চার.পরের দিন অর্থাৎ ১৫ শাবান রোজা রাখা।

শবে বরাতে বর্জনীয় কাজ সমূহ
শবে বরাত বিদআত নয়, তবে তাতে এমন কিছু কাজ পরিলক্ষিত হয়, যা সম্পূর্ণ বিদআত ও ভিত্তিহীন। তাই প্রত্যেককে এগুলো থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকা আবশ্যক। এক.শিণী, হালুয়া রুটি বা মিষ্টি বিতরণ করা। দুই. মসজিদ, ঘর-বাড়ি, অফিস আদালতে আলোকসজ্জা করা।
তিন.পটকাবাজী, আতশবাজী করা। চার.কবর বা মাজারে ফুল দেওয়া,আলোকসজ্জা করা। পাঁচ.দল বেঁধে কবরস্থানে যাওয়া।(জীবনে একবার শবে বরাতে কবরস্থানে গেলেই এ মুস্তাহাব আদায় হয়ে যাবে)

বিদআতের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ
কেননা হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে,আল্লাহ তাআলা বিদআতির নামাজ, রোজা, দান-সদকা, হজ উমরা, জিহাদ, ফরজ নফল কোন ইবাদতই কবুল করেন না। বিদআতিরা ইসলাম থেকে এমনভাবে বেরিয়ে যায়, যেমন আটার খামিরা থেকে চুল বেরিয়ে যায়। (ইবনে মাজাহ-৪৯)

লেখক: মুফতি জুবায়ের বিন আবদুল কুদ্দুছ  সিনিয়র শিক্ষক, লালবাগ মাদ্রাসা ঢাকা
খতিব, আজিমপুর ছাপড়া মসজিদ
পরিচালক, দাওয়াতুস সুন্নাহ বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ ...
কপিরাইটঃ ২০২৬ দৈনিক সংবাদ শিরোনাম এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Developed by Infix Digital