নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ছাত্রদলের কোন্দল ঘিরে সিনিয়র সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেনকে টেনেহিঁচড়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ এনে শাখা ছাত্রদলের পাঁচ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত নোটিশে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এতে বলা হয়, সাংগঠনিক দায়িত্বে থাকা অবস্থায় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে অভিযুক্ত নেতাদের বিরুদ্ধে কেন স্থায়ী সাংগঠনিক শান্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না। সে বিষয়ে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে।
শোকজপ্রাপ্ত নেতারা হলেন—সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. সাব্বির হোসেন শান্ত, সহ-সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম, সহ-সভাপতি আশিকুর রহমান জীবন, সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাকসুদুর রহমান মারুফ।
নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের উপস্থিতিতে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদান করতে হবে।
এ বিষয়ে নোবিপ্রবি ছাত্রদল সভাপতি জাহিদ হাসান বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল নোবিপ্রবি শাখা শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস উপহার দিতে বদ্ধপরিকর। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা মেইনটেইন করার জন্য আমরা সর্বোচ্চভাবে সতর্ক থাকব এবং সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করব।
এর আগে, গত সোমবার বিকেল ৫টার দিকে সাব্বির হোসেন শান্তিনিকেতন এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলামের অনুসারীরা এসে তার সঙ্গে তীব্র বাকবিতণ্ডায় লিপ্ত হয়। একপর্যায়ে তারা সাব্বিরকে ক্যাম্পাস ত্যাগ করার আলটিমেটাম দেয়। সাব্বির হোসেন ক্যাম্পাস ছাড়তে অস্বীকৃতি জানালে আমিনুলের অনুসারীরা তাকে জোরপূর্বক টেনেহিঁচড়ে এবং এক পর্যায়ে চ্যাংদোলা করে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা চালায়।
One thought on "নোবিপ্রবিতে ছাত্রদল নেতাকে ‘টেনেহিঁচড়ে’ ক্যাম্পাস ছাড়া করার চেষ্টা"
Comments are closed.