গবেষণা ও প্রশিক্ষণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল বাকী। বৃহস্পতিবার বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
এবারের পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া (মরণোত্তর)। সংগীতে অবদানের জন্য মনোনীত হয়েছেন কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী বশির আহমেদ (মরণোত্তর)। গণমাধ্যম ও সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য পুরস্কার পাচ্ছেন জনপ্রিয় সঞ্চালক ও নির্মাতা হানিফ সংকেত।
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মনোনীত হয়েছে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ এবং মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর)। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অবদানের জন্য মনোনীত হয়েছেন ড. জহুরুল করিম। চিকিৎসাবিদ্যায় অবদানের জন্য মনোনীত হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
সাহিত্যে অবদানের জন্য মনোনীত হয়েছেন ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর) এবং ক্রীড়ায় অবদানের জন্য জোবেরা রহমান (লিনুন)। পল্লী উন্নয়নে অবদানের জন্য মনোনীত হয়েছে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন।
সমাজসেবা বা জনসেবায় অবদানের জন্য মনোনীত হয়েছেন জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), এস ও এস চিলড্রেন্স ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ, মো. সাইদুল হক, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর)।
এছাড়া জনপ্রশাসনে অবদানের জন্য মনোনীত হয়েছেন কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর)। গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মনোনীত হয়েছেন অধ্যাপক এম এ রহিম, অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল বাকী এবং অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া। পরিবেশ সংরক্ষণে অবদানের জন্য মনোনীত হয়েছেন আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু)।
প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ সরকার এই সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা প্রদান করে থাকে।