শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
Manarat Invitational- Chapter One এ বিজয়ী জবি ডিবেটিং সোসাইটির টিম ‘একাত্তরের গণহত্যা’ জবি মনোবিজ্ঞান অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটি ঘোষণা, নেতৃত্বে আরিফুল-শাকিল জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ–২০২৬ ভৈরবে সাবেক কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা সৈকতকে কুপিয়ে হত্যা জুলাই সনদের পথ ধরেই হাঁটবে সরকার: আইনমন্ত্রী তিন বন্ধুর হাত ধরে মফস্বলে স্বপ্নের দিগন্তে ‘অ্যাবসাইন ফ্যাশন’ সিংড়ার সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বানরীপাড়ায় ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক নীলফামারীতে এনডিইএ’র আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা ২১ শে আগস্ট উপলক্ষে জবিতে ব্যানার দিয়ে উপস্থিতি জানান দিল ছাত্রলীগ

মূল সনদ উত্তোলন ও সাটিফিকেট সংশোধনে নতুন পরিকল্পনা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯১ মোট ভিউ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অধ্যয়নরত লাখ লাখ শিক্ষার্থীর সনদ (সার্টিফিকেট) সংশোধন এবং মূল সনদ উত্তোলনের বিড়ম্বনা কমাতে বড় ধরনের প্রশাসনিক সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সনদ তুলতে মূল ক্যাম্পাসে না এসে ডাকযোগে জেলা-উপজেলায় দেওয়ার চিন্তা করছে বিশ্ববিদ্যালয়।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ দৈনিক সংবাদ শিরোনামের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের যখন একটি মূল সার্টিফিকেট প্রয়োজন হতো, তখন তারা অফলাইনে আবেদন করে ক্যাম্পাসে বারবার ঘুরে আসতে হতো। অনেক ক্ষেত্রে কাউকে তিন থেকে চারবারও যেতে হতো। এখন সেটিকে অনলাইন সিস্টেমে নিয়ে আসা হয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীরা অনলাইনে স্ট্যাটাস দেখতে পারছে এবং এরপর উত্তোলনের জন্য ক্যাম্পাসে আসছে। এই সিস্টেমকে আঞ্চলিক অফিসগুলোর মাধ্যমে ডাকযোগে বা সেখান থেকেই উত্তোলনের সুযোগ রাখা যায় কি না—সে বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

উপাচার্য বলেন, আমরা আসার আগে লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীকে প্রফেশনাল ও ফাইনাল সার্টিফিকেট নেওয়ার জন্য ক্যাম্পাসে আসতে হতো, আবেদন করতে হতো, দালাল ধরা এবং বিভিন্ন কম্পিউটারের দোকানে ঘুরাঘুরি করতে হতো। আমরা আসার পর এসব বন্ধ করে পুরো প্রক্রিয়াটিকে ডিজিটালে রূপান্তর করেছি। এখন শিক্ষার্থীরা অনলাইনে আবেদন করবে, সোনালী ব্যাংকে টাকা জমা দেবে এবং অনলাইনে স্ট্যাটাস দেখতে পারবে। আমরা সাত থেকে ১০ দিনের মধ্যেই ফাইনাল সার্টিফিকেট দিয়ে দিচ্ছি।

আরও পড়ুন:দলীয় প্রভাব খাটিয়ে হলে সিট নেওয়ার চেষ্টা— যা বললেন প্রভোস্ট

 

 

অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, ডিস্ট্রিবিউশনের ক্ষেত্রে প্রভিশনাল সার্টিফিকেটগুলো সংশ্লিষ্ট কলেজে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে, সেখান থেকেই শিক্ষার্থীরা তা সংগ্রহ করছে। আর ফাইনাল সার্টিফিকেট শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যসেবা কেন্দ্র থেকে নিয়ে যাচ্ছে। তবে এখন আর আগের মতো ঘুরাঘুরি করতে হচ্ছে না। সার্টিফিকেট প্রস্তুত হয়েছে কি না, তা অনলাইনে দেখে শিক্ষার্থীরা এসে কাগজ জমা দিয়ে সংগ্রহ করছে।

উপাচার্য জানান, বর্তমানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০টি আঞ্চলিক কেন্দ্র রয়েছে এবং আরও ১০টি আঞ্চলিক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বিদ্যমান আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলোকে যুক্ত করে শুধু ফাইনাল সার্টিফিকেট নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও বিভিন্ন কাজ আঞ্চলিক পর্যায়েই সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে দূর-দূরান্ত থেকে শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে আসার প্রয়োজন কমে যাবে।

তিনি বলেন, লক্ষ্য হচ্ছে আঞ্চলিক কেন্দ্র থেকেই শিক্ষার্থীরা সব ধরনের সেবা পাবে এবং সেখান থেকেই সবকিছু ম্যানেজ করতে পারবে। গাজীপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসকে ‘কন্টাক্টলেস’ করা যায় কি না, সে দিকেও আমরা এগোচ্ছি। অর্থাৎ, খুব জরুরি বা জটিল কোনো বিষয় না হলে সরাসরি ক্যাম্পাসে এসে যোগাযোগ করার প্রয়োজন থাকবে না। শিক্ষকদের ক্ষেত্রে যেসব কাজের জন্য আসা জরুরি, সেগুলোই শুধু করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ছোটখাটো এবং অন্যান্য যেসব কাজ অনলাইনে করা সম্ভব, সেগুলো জেলা বা উপজেলা পর্যায় থেকেই সমাধান করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং সেই দিকেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

শেয়ার করুন

One thought on "মূল সনদ উত্তোলন ও সাটিফিকেট সংশোধনে নতুন পরিকল্পনা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের"

Comments are closed.

আরো সংবাদ ...
কপিরাইটঃ ২০২৬ দৈনিক সংবাদ শিরোনাম এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
Developed by Infix Digital